ইসলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী

আরবি সফর মাসের ফজিলত- সফর মাসের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আমল সলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী নিয়ে আজকের আর্টিকেলের আয়জন করা হয়েছে। বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন। এর মাধ্যমে দুটি মানুষের মাঝে একটা বৈধ সম্পর্ক তৈরি হয়। ইসলামে বিয়ে করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। বিয়ে করা ইসলামিক দিক থেকে সুন্নত কাজ।

ইসলামে-বিয়ের-নিয়ম-ও-গুরুত্বপূর্ণ-শর্তাবলী

তবে সেই বিয়ে হতে হবে ইসলামিক নিয়ম অনুসারে। আল্লাহ যে পদ্ধতি নবীকে শিখিয়ে দিয়েছেন এবং মুসলমানদেরকে পালন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেই একটা বিয়ের কাজ করতে হয়। যদি এই নিয়মগুলো পালন না করা হয় তাহলে বিয়ে সম্পন্ন হয় না।

পেজ সূচিপত্রঃ ইসলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী

ইসলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী

ইসলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়তে হবে। আমাদের আজকের আর্টিকেলে ইসলামী বিয়ে কিভাবে দিতে হয় সেই নিয়মগুলো সম্পর্কে জানানো হবে এবং বিয়ের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী গুলো আলোচনা করা হবে। প্রথমেই নিচে এমন কিছু নিয়ম সম্পর্কে উল্লেখ করা হলো যেগুলো ছাড়া বিয়ে সম্পন্ন হয় নাঃ

  • ছেলে ও মেয়ের সম্মতি।
  • ছেলে মেয়ে সুস্থ মস্তিষ্কের হওয়া।
  • দুই থেকে তিনজন সাক্ষী।
  • মেয়ের বাবার বা অভিভাবকের অনুমতি।
  • দুই পক্ষেরই প্রস্তাব কবুল করা।

যদি ছেলে ও মেয়ে সুস্থ মস্তিষ্কের হয় এবং তারা যদি একে অপর একে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে কবুল করতে প্রস্তুত থাকে বা রাজি হয় তখনই কেবল একটা বিয়ের আয়োজন করা যায়। ইসলামিক নিয়ম অনুসারে জোর করে বিয়ে দেওয়া নিষেধ করা হয়েছে। সেই বিয়েতে দুজন ছেলে সাক্ষী থাকতে হবে কমপক্ষে। অথবা একজন মেয়ে সাক্ষী যদি থাকে তাহলে দুইজন নিয়ে আর একজন ছেলে সাক্ষী থাকতে হবে। এবং অবশ্যই মেয়ের বাবা অথবা অভিভাবকের অনুমতি লাগবে। আর দুই পক্ষকে অবশেষে প্রস্তাব কবুল করতে হবে।

উভয় পক্ষের সম্মতি থাকা

আমাদের সমাজে সবথেকে ঘৃণিত একটি কাজ হল জোর করে ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া। ইসলাম এটাকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এক হাদিসে শোনা যায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একজন মহিলা এসে অভিযোগ দিলেন তার বাবা তাকে জোর করে বিয়ে দিয়েছে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তখন সেই বিয়ে বাতিল বলে ঘোষণা দিলেন। অর্থাৎ একজন মেয়ে বা একজন ছেলে সারা জীবনের জন্য একজন মানুষকে জীবন সঙ্গিনী হিসেবে বাছাই করবে এতে তার পছন্দের বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুনঃ  জাওয়াদ নামের অর্থ কি

আর ইসলাম এটাকে পূর্ণ সমর্থন করে। একজন ছেলে বা একজন মেয়ে যদি কাউকে পছন্দ না করে তাহলে তার সাথে জোর করে বিয়ে দেওয়া যায় না। যদি দেওয়া হয় তাহলে সেই বিয়ে বাতিল হয়ে যাবে। ছেলে ও মেয়ে দুই পক্ষেরই বিয়েতে সম্মতি থাকা বা রাজী থাকা দরকার। এটা শুধু ধর্মীয় বিষয় নয় মানবিক বিষয় হিসেবেও ধরা যায়। কারন যদি উভয় পক্ষের সম্মতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া হয় তাহলে পরে সংসারিক জীবনে ঝামেলা হতে পারে। তাই উভয় পক্ষের সম্মতি থাকতে হবে।

কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী থাকা

ইসলামিক নিয়মে বিয়ে হওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিয়েতে কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী থাকা। তবে এখানে এক ধরনের শর্ত আছে। সেই শর্ত হলো যদি সেই বিয়েতে কোন পুরুষ সাক্ষী থাকে তাহলে কমপক্ষে দুইজন থাকতে হবে। আর যদি নারী সাক্ষী থাকে তাহলে কমপক্ষে একজন পুরুষ আর দুইজন নারী সাক্ষী থাকতে হবে। কারণ ইসলামে একজন পুরুষ সমান দুইজন নারী ধরা হয়। সাক্ষীর ক্ষেত্রেও একই বিষয়। যদি সাক্ষী না থাকে তাহলে সেই বিয়ে বাতিল হয়ে যাবে। 

ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেছিলেন যে যদি কেউ গোপনে বিয়ে করে তাহলে আমি তাকে যেনার শাস্তি দেব। তাই বোঝা যায় গোপনে বিয়ে করা যায় না বরং সেখানে সাক্ষী অবশ্যই থাকতে হবে। তবে আমাদের সমাজে একটা ভুল ধারণা আছে যে কাউকে সাক্ষী রাখার। এমন কোন মানুষকে সাক্ষী রাখা যাবে না যার স্বাভাবিক জ্ঞান বুদ্ধি নেই অথবা সে নাবালক। কোন পাগল কেও সাক্ষী রাখা যায় না। সাক্ষী হতে হবে অবশ্যই মানুষ। পুরাতন যুগের সিনেমার মতো গাছপালা পশুপাখিকে সাক্ষী রাখা যায় না।

অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে

ইসলামিক নিয়মে বিয়ে হওয়ার জন্য অভিভাবকের অনুমতি থাকা খুব জরুরি বিষয়। তবে এখানে অভিভাবকের অনুমতি নেওয়া আর তাদের ইচ্ছায় বিয়ে করা এই দুইটাকে অনেকে এক করে ফেলেন। কাকে বিয়ে করবে সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র ছেলে ও মেয়ের। কিন্তু তাদের পছন্দ তাদের জন্য নিরাপদ কিনা বা সামাজিকভাবে তাদের সাথে সম্পর্ক করা যায় কিনা সেজন্য অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে। অভিভাবকের অনুমতি নেওয়া মানে এই নয় যে তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী তাদের পছন্দ করা কাউকে বিয়ে করা।

আরও পড়ুনঃ কাজী অফিসে বিয়ে করতে কত খরচ হয়

বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে বাবা অথবা যদি বাবা না থাকে তাহলে বড় ভাই বা অন্য কোন অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে। অভিভাবক যদি অনুমতি না দেয় তাহলে সেই বিয়ে সাধারণত হয় না। যদি কোন মেয়ে অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়েতে বসে তাহলে তাকে যেনাকারী বলা হয়েছে। ছেলে মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণত অনুমতির প্রয়োজন হয় না। কারণ একজন ছেলে মানুষই সাধারণত তার স্ত্রীকে ভরণপোষণ সহ অন্যান্য নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশের সামাজিক দিক থেকে দেখতে হলে অনুমতি নেওয়া ভালো।

ঠিক করে মোহর লিখা

ইসলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলীর একটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ঠিক করে মোহর লেখা বা আগেই মোহরের বিষয়টা পরিষ্কার করে নেওয়া। দেনমোহর হলো একজন নারীর অধিকার যেটা সে স্বামীর পক্ষ থেকে পেয়ে থাকে। দেনমোহর ছাড়া একটা বিয়ে সম্পন্ন হয় না। একটা বিয়েতে যত কম দেন মোহর হয় তত সেই বিয়েতে বরকত হয়। দেনমোহরের বিষয়টা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে মেয়ের ওপর। মেয়ে পক্ষ বা মেয়ে কতটুকু দেনমোহর দাবি করছে ততটুকুই দেনমোহর দিতে হবে।

আমাদের সমাজে দেনমোহর টাকে মেয়ের সেফটি হিসেবে দেখা হয়। অর্থাৎ যদি পারিবারিক জীবনে কোন ঝামেলা হয় তাহলে দেনমোহরের কারণে যেন বিবাহ বিচ্ছেদ না হয় সেজন্য বেশি করে দেন মোহর ধরা হয়। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ইসলাম বিরোধী একটা বিষয়। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একটা বিয়েতে যত কম দেনমোহর হবে সেই বিয়েতে তত বেশি বরকত হবে। দেনমোহর যদি বেশি পরিমাণে ধরা হয় তাহলে আংশিক পরিশোধ করে আংশিক বাকি রেখে বিয়ে সম্পন্ন করা যায়।

বিয়ের খুতবা পড়া জরুরি

যখন সব বিয়ের কাজ শেষ হয়ে গেল এবং দুই পক্ষ বিয়ে কবুল করে নিল তখন যে ধাপটা বাকি থাকে সেটা হল বিয়ের খুতবা পড়া। খুতবা পড়া বিয়েতে একটি সুন্নত কাজ। খুতবা পড়লে ইসলামিক নিয়ম অনুসারে সেই বিয়েটা সম্পূর্ণভাবে শেষ করা হলো বলে ধরে নেওয়া হয়। একজন ইমাম সাহেব বা একজন খতিব সাহেবকে বিয়েতে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাকে দিয়ে খুতবা পাঠ করিয়ে নিতে হয়। আর পরিবারের মধ্যে যদি কেউ খুতবা পড়তে জানে তাহলে সে খুতবা পড়লেও হবে।

ইসলামে-বিয়ের-নিয়ম-ও-গুরুত্বপূর্ণ-শর্তাবলী

এইভাবে যদি একটা বিয়েতে ইসলামিক নিয়ম অনুসরণ করা হয় তাহলে আল্লাহ সেই বিয়েতে বরকত দান করেন। তাই বিয়ের খুতবা পড়া একটা জরুরী বিষয়। খুতবাতে সাধারণত কুরআনের বিভিন্ন আয়াত, আর নবীর শিখিয়ে দেওয়া পদ্ধতিতে সেই আয়াতগুলো পাঠ করা হয়। খুতবা সাধারণত পাঠ করতে হয় ছেলে পক্ষ কবুল বলার পর। এবং খুতবার পর মোনাজাত করে স্বামী স্ত্রীর জন্য দোয়া করে বিয়ের কাজ শেষ করা হয়। তাই যে কোন বিয়েতে খুতবা পড়া উচিত এবং এই চর্চা করা উচিত।

স্বামীর দায়িত্ব পালন করা

বিয়ের পর সব থেকে বেশি দায়িত্ব থাকে স্বামীর কাঁধের উপর। স্বামী স্ত্রী দুজনেরই দায়িত্ব থাকলেও স্বামীর দায়িত্ব একটু বেশি। তাকে নতুন একটা সদস্যের দায়িত্ব নিতে হয়। তার ভরন পোষণ থেকে শুরু করে সব ধরনের খরচ তাকে বহন করতে হয়। এছাড়াও একজন স্ত্রী যাতে সুখে শান্তিতে থাকে সেই দায়িত্বটিও স্বামীকে নিতে হয়। এমন অনেক ধরনের দায়িত্ব স্বামীর আছে। একটা মেয়ে তার বাবার সংসার ছেড়ে স্বামীর পরিবারে আসে অনেক ত্যাগ স্বীকার করে। স্বামীকে তাই তার ন্যায্য অধিকার বুঝিয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ – ম দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ  

একজন স্ত্রীর সাথে কখনোই খারাপ ব্যবহার করা যাবে না। ইসলামে স্ত্রীর সাথে ভালো ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একজন ছেলে মানুষ যদি তার স্ত্রীর কাছে ভালো মানুষ হয় তাহলে তাকে ভালো মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একজন মানুষ ভালো নাকি খারাপ তার দলিল তার নিজের স্ত্রী। তাই স্ত্রীর সুখে দুখে সব ক্ষেত্রে তার জীবনের সঙ্গী হতে হবে তার স্বামীকে। এছাড়াও স্ত্রী অসুস্থ হলে সেবা যত্ন করা থেকে শুরু করে নানা ধরনের সাহায্য করা উচিত। স্ত্রীর উপর জুলুম করা ঠিক নয়। এটা আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন।

স্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা

স্বামী যেরকম কিছু দায়িত্ব আছে এটি তেমনি স্ত্রীরও কিছু দায়িত্ব আছে। একজন স্ত্রী সাধারণত ঘরের কাজ করে থাকেন আর ইসলামেই এটা করারই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছেলেরা বাইরের কাজ করবে আর মেয়েরা ঘরের কাজ করবে। এটাই ইসলামের সৌন্দর্য প্রকাশ করে। একজন স্ত্রীর প্রথম দায়িত্ব হল তার স্বামীর সাথে ভালো আচরণ করা। এরপর তার স্বামী যে কথা বলবে সেই কথা মেনে চলা অর্থাৎ তার স্বামীর আনুগত্য করা। আনুগত্য আর দাসত্ব কখনোই এক জিনিস নয়।

আনুগত্য করা মানে হল অভিভাবকের কথা মেনে চলা। আর দাসত্ব করা মানে হলো মালিক যা বলবে হুবহু সেটা পালন করা। তাই মহিলারা আনুগত্য আর দাসত্বের মধ্যে পার্থক্য না বোঝার কারণে স্বামীর সাথে খারাপ আচরণ করে থাকে। একজন স্বামী সবথেকে বেশি কষ্ট পায় যখন তার স্ত্রী তার কথা মেনে চলেনা। স্বামী অসুস্থ হলে তার সেবা যত্ন করা ও একজন স্ত্রীর দায়িত্ব। যখন একজন স্বামী মানসিক ভাবে ভেঙে পড়বে তখন তার পাশে থেকে তাকে সাহস দেওয়াও স্ত্রীর দায়িত্ব।

পারিবারিক সমঝোতা বজায় রাখা

স্বামী স্ত্রী উভয়ের পারিবারিক সমঝোতা বজায় রাখা খুবই দরকার। যদি পারিবারিক সমঝোতা বজায় না রাখা হয় তাহলে কোন সম্পর্ক টিকে না। তখন আস্তে আস্তে সেটা বিবাহ বিচ্ছেদের দিকে চলে যায়। একজন স্বামী হিসেবে তার খেয়াল রাখা উচিত তার স্ত্রী কি চায় এবং সে কিভাবে ভালো থাকবে। একইভাবে একজন স্ত্রীর উচিত কি করলে তার স্বামী তার উপর খুশি থাকবে সেই ব্যাপারে নজর দেওয়া। পৃথিবীর কোন মানুষই এক নয়। এক এক মানুষের চাহিদা এক এক রকম।

ইসলামে-বিয়ের-নিয়ম-ও-গুরুত্বপূর্ণ-শর্তাবলী

এই সবগুলো চাহিদা মেনে নিয়ে আমাদের বসবাস করতে হবে। একটা সংসারে দুই পক্ষকেই সেক্রিফাইস করেই চলতে হবে। যদি এমন সমঝোতা না থাকে তাহলে কখনোই একটা সম্পর্ক টিকে রাখা সম্ভব হয় না। স্বামীর দুঃখে কষ্টে স্ত্রীর সহায়ক ভূমিকা পালন করবে আর একইভাবে স্ত্রীর দুঃখে কষ্টে স্বামী তার সবটা দিয়ে চেষ্টা করবে। এভাবে মিলেমিশেই তারা একটা সংসার তৈরি করতে পারবে। একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রয়োজনময় তৈরি করার জন্য পারিবারিক সমঝোতার খুবই প্রয়োজন আছে।

মন্তব্যঃ ইসলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী

ইসলামে বিয়ের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি বিয়ে করতে চান তাহলে এই নিয়মগুলো আপনার জানা খুবই জরুরী। কারণ যদি সঠিক নিয়ম না মেনে একজন মুসলমান হিসেবে বিয়ে করেন তাহলে আপনার বিয়ে নাও হতে পারে। আপনি জেনে আছেন যে আপনার বিয়েটা বৈধ কিন্তু সঠিক নিয়ম না মানার কারণে আপনার বিয়ে অবৈধ হয়ে যেতে পারে। আর এতে সোয়াবের পরিবর্তে গুনাহ হতে পারে। তাই সঠিক নিয়ম জানা প্রয়োজন।

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়লে ইসলামের বিয়ের নিয়ম কি আছে সেই সম্পর্কে আপনি ভালোভাবেই জানতে পারবেন। বিয়ের জন্য কোন শর্তগুলো অবশ্যই পালন করতে হয় সেগুলোও আজকে আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে। বিয়ের জন্য কয়জন সাক্ষী লাগে সে বিষয়ে আজকে আলোচনা করা হয়েছে। সঠিক নিয়ম জেনেই বিয়ে করতে হবে। নতুন নতুন এমন আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে সাথেই থাকুন আর আমাদেরকে সাপোর্ট করুন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *